Home Page
Current Issue
Archive
Travel Plans
Trekking Routemap
Tips
Explore
Rail
Air travel
Other Websites

Feedback




hit counters
hit counter

অরুণাচলপ্রদেশ (Arunachal Pradesh)

 

উত্তর-পূর্ব ভারতের বৃহত্তম রাজ্য অরুণাচলপ্রদেশ, সকালবেলার রোদ্দুর যেখানে ভারতের মাটিতে প্রথম পা ফেলে। অরণ্যে ঘেরা পাহাড়ি এই রাজ্যটিতে বাস করেন নানান উপজাতির মানুষেরা। চিন-তিব্বত সীমান্তে অবস্থানের জন্য অরুণাচল প্রবেশে ইনারলাইন পারমিট লাগে। পশ্চিম, মধ্য ও পূর্ব অরুণাচলের জন্য আলাদা আলাদা পারমিট করতে হবে।

ভালুকপং (Bhalukpong)অরুণাচল প্রবেশের অন্যতম প্রবেশদ্বার অসম ও অরুণাচল রাজ্যের সীমান্তজোড়া শহর ভালুকপং। অসমে লোয়ার ও অরুণাচলে আপার ভালুকপং। শহরের মধ্যিখানে জিরো পয়েন্ট আর হলুদরঙা তোরণদ্বার। জিয়াভরলি নদীর তীরে এই ছোট্ট সবুজ শহরটি তার অপরূপ সৌন্দর্যের জন্যই পর্যটকদের কাছে আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে। কিংবদন্তী, অসুররাজ বাণের পৌত্র ভালুক-এর রাজধানী ছিল এই ভালুকপং।
অসম ট্যুরিস্ট লজের চত্ত্বরটি ভারি সুন্দর। সবুজ প্রকৃতির মাঝে কাঠের তৈরি দোতলা বাংলো। বাংলোকে ঘিরে রয়েছে বাহারি কটেজগুলো। সামনে জিয়াভরলি নদী। নদীর গা থেকে উঠে গেছে সবুজ পাহাড়।
ভালুকপং থেকে বমডিলা যাওয়ার পথে ৩কিমি দূরে ভারতের সর্ববৃহৎ অর্কিড রির্সাচ সেন্টার টিপি (Tipi Orchidarium)। এখানে নানা দুর্লভ প্রজাতিসহ ৭,৫০০-রও বেশি রকমের অর্কিডের দেখা মিলবে। এইপথে আরেকটু এগিয়ে শেষা ঝরনা (Sesha Falls)। অন্যপথে টিপি থেকে ৬কিমি দূরে নামেরি অভয়ারণ্য (Nameri National Park)

যাওয়া- নিকটতম রেলস্টেশন গুয়াহাটি(GHY)। নিকটতম বিমানবন্দর গুয়াহাটি, তেজপুর। গুয়াহাটির পল্টন বাজার থেকে বা তেজপুর থেকে ভালুকপং যাওয়ার শেয়ার গাড়ি ও বাস পাওয়া যায়। প্রাইভেট গাড়ির ব্যবস্থাও আছে।

থাকা- ভালুকপং-এ অসম পর্যটনের ট্যুরিস্টলজ ও বেসরকারি হোটেল আছে।

বমডিলা (Bomdila)-  অসমের জিয়াভরলি নদীই নাম বদলে অরুণাচলে কামেং হয়েছে। কামেং জেলার সদর শহর ২,৭৩০ মিটার উচ্চতায় বমডিলা। বমডিলার বাজার চত্ত্বরেই রয়েছে লোয়ার মনাস্ট্রি আর ক্র্যাফট সেন্টার। মনপা, আকা, মিজি প্রভৃতি স্থানীয় বিভিন্ন উপজাতির লোকজনের তৈরি হস্তশিল্পের নমুনা দেখতে পাওয়া যাবে এই ক্র্যাফট সেন্টারে । শহরের ওপর দিকে পাহাড়ের মাথায় আপার মনাস্ট্রি । এই মনাস্ট্রিটি তেমন প্রাচীন নয়, তবে অনেকটা বড় আর অপরূপ কারুকার্যে ভারি সুন্দর। মনাস্ট্রির চত্ত্বর থেকে দূরের পাহাড়, তুষারশুভ্র গিরিশিখর আর মেঘ-রৌদ্রের খেলা দেখতে ভালোলাগে।

যাওয়া- ভালুকপং থেকে রূপা আর টেঙ্গা ভ্যালি পেরিয়ে ৮২০০ ফুট উচ্চতায় বমডিলা। বাসে, শেয়ারে বা ভাড়া গাড়িতে এপথে যাওয়া যায়।
থাকা- বমডিলায় সরকারি ট্যুরিস্ট লজ ও বেসরকারি হোটেলে থাকা যায়।

দিরাং (Dirang)- বমডিলা থেকে তাওয়াং যাওয়ার পথে ৪২কিমি দূরে ছোট্ট জনপদ দিরাং-অপরূপ সুন্দর। দিরাং-এ থেকে বেড়িয়ে নেওয়া যায় ১০কিমি দূরের সাংতি ভ্যালি (Sangti Valley) ও ভেড়া প্রজনন কেন্দ্র (Sheep Breeding Farm), উষ্ণ প্রস্রবণ, ওয়ার মেমোরিয়াল  ও চুগ ভ্যালি (Chug Valley) ও মনাস্ট্রি
সাংতি নদীর ওপর খাশো ব্রিজ পেরিয়ে সাংতি উপত্যকার উন্মুক্ত সমতল-কোথাও দিগন্তজোড়া ক্ষেত-কোথাওবা ঘাসজমিতে চরে বেড়াচ্ছে পাহাড়ি ঘোড়া- উপত্যকার বুক চিরে সাংতির উচ্ছ্বলতা-এ যেন বিদেশী ছবির কোন দৃশ্য। দিরাং থেকে সাংতি যাওয়ার পথে শিপ ব্রিদিং ফার্মের চত্ত্বরটিও ভারি সুন্দর-ঠিক যেন ক্যানভাসে আঁকা ছবি। পথে পাহাড়ের বাঁকে কমলালেবু আর পাহাড়ি ফুলে ছাওয়া গ্রামের বাড়িগুলি।
দিরাং আপার মনাস্ট্রিটি বেশ বড়-শান্ত, ভাবগম্ভীর পরিবেশ, লোয়ার মনাস্ট্রি বা কালচক্র গোম্ফাটি তুলনায় ছোট হলেও জমজমাট।
দিরাং থেকে তাওয়াং যাওয়ার পথে পড়বে চুগ ভ্যালি, হট স্প্রিং আর ১৯৬২ সালের চিন-ভারত যুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত নয়ুকমাডং ওয়ার মেমোরিয়াল (Nyukmadong War Memorial)।

যাওয়া- ভালুকপং থেকে তাওয়াং যাওয়ার বাস বা শেয়ার গাড়িতে দিরাং চলে আসা যায়।
থাকা- দিরাং-এ সরকারি ট্যুরিস্ট লজ ও ইয়াক রির্সাচ সেন্টারে থাকা যায়। বেসরকারি হোটেল-ও আছে।

তাওয়াং (Tawang)- ১০,২০০ ফুট উচ্চতায় শৈলশহর তাওয়াং। প্রধানত মনপা উপজাতির লোকজনের বাসস্থান। চারশো বছরের প্রাচীন তাওয়াং মনাস্ট্রি এখানকার প্রধান আকর্ষণ। প্রায় পাঁচশো বছর আগের কথা। তখন তাওয়াং অঞ্চলের নাম ছিল ব্রামডংচুং। একদিন লামা লরদে গিয়ামাতসো ঘোড়ায় চড়ে তিনমাইল দূরে পাহাড়ের এক গুহার উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন। কিছুদূর গিয়ে ঘোড়া রেখে বাকিটা হেঁটে যান। ফেরার পথে ঘোড়াটিকে খুঁজতে খুঁজতে এইস্থানে এসে পৌঁছান। গিয়ামাতসো অনুভব করেন ঈশ্বরই তাঁকে নির্দেশ দিয়েছেন এখানে মনাস্ট্রি তৈরি করার জন্য। ঘোড়াই তাঁকে পথ দেখিয়ে এনেছিল বলে জায়গাটির নামকরণ করেন তাওয়াং। ‘তা’ অর্থ ঘোড়া এবং ‘ওয়াং’ এর অর্থ ঘোড়া যে স্থানটি নির্বাচন করেছে। পঞ্চম দলাই লামার ইচ্ছানুযায়ী ১৫৮০-৮১ সালে তাওয়াং মনাস্ট্রির প্রতিষ্ঠা করেন লামা গিয়ামাতসো। যিনি মেরা লামা নামেও সমধিক পরিচিত। ভারতের সবচেয়ে বড় আর এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম এই মনাস্ট্রিটি মূল শহর থেকে ২ কিমি দূরে। মূল মন্দিরটি ছাড়াও মনাস্ট্রির চত্ত্বরে রয়েছে মিউজিয়াম ও লাইব্রেরি। মূল মন্দিরের সামনের খোলা জায়গায় উৎসবের সময় নাচ-গান হয়। লামাদের প্রধান উৎসব ছাম বা মুখোশ নৃত্য। মনাস্ট্রির অন্দরে ২৬ ফুট উচুঁ বিশালাকায় বুদ্ধমূর্তি আর দেওয়াল জুড়ে অপরূপ কারুকাজ। গাডেন নামগিয়াল লাহৎসে মিউজিয়ামে প্রাচীন পুঁথি, হাল্কা প্রাচীন বাসনপত্র, বাদ্যযন্ত্র, অস্ত্রশস্ত্র, মুখোশ, বিশালাকার হাতির দাঁত প্রভৃতি নানান প্রাচীন জিনিস রক্ষিত আছে।
শহর থেকে ৫কিমি দূরে আর্জলিং গোম্ফা। তাওয়াং জেলায় প্রায় ১০৮টি ছোট-বড়ো হ্রদ আছে। এরমধ্যে ৪২ কিমি দূরে সাংগাসার লেক (Sangesar Lake) বিশেষ উল্ল্যেখযোগ্য। এটি মাধুরী লেক নামেও পরিচিত। চিন সীমান্তের বুমলা পাস (Bumla Pass) ও সাংগাসার লেক যাওয়ার পথে তাওয়াং থেকে ১৬কিমি দূরে পি টি সো লেক (Piti So)। এই পথে তাওয়াং থেকে অল্পদূরে বৌদ্ধ-ভিক্ষুণীদের মঠ আনি গুম্ফা (Ani Gompha)।
১৯৬২ সালের যুদ্ধে নিহত ভারতীয় সৈনিকদের স্মৃতিতে নির্মিত ওয়ার মেমোরিয়ালটি-ও (Tawang War Memorial) তাওয়াং-এর বিশেষ দ্রষ্টব্য। ক্র্যাফট সেন্টারটি-ও দর্শণীয়।

যাওয়া- দিরাং থেকে তাওয়াং-এর দূরত্ব ১৩৮কিমি। দিরাং থেকে ৪০কিমি দূরে ১৩,৭২১ ফুট উচ্চতায় সেলা পাস (Sela Pass) ও সেলা লেক (Sela Lake)। সেলা থেকে তাওয়াং যাওয়ার পথেই পড়বে ১৯৬২ সালের যুদ্ধে নিহত শহীদ যশোবন্ত সিং রাওয়াতের স্মৃতি মন্দির যশোবন্তগড় (Jashowantgarh)। তাওয়াং-এর ঠিক আগেই নুরানাং জলপ্রপাত (Nuranang Falls)।

থাকা- তাওয়াং-এ অরুণাচল ট্যুরিজমের লজে থাকাটাই সুবিধাজনক। এছাড়া বেশকিছু হোটেল আছে শহর জুড়ে।

|| ভ্রমণকাহিনি - স্বপ্নের দেশে কয়েকদিন ||

ইটানগর(Itanagar)- অরুণাচলের রাজধানী ইটানগর ভালুকপং থেকে ১৫০কিমি দূরে। নতুন আর পুরনো দুই শহর নিয়ে গড়ে উঠেছে ইটানগর। পুরনো শহর নাহারলাগুন (Naharlagun) - ছবির মত সুন্দর। ছোট্ট এই শহরে রয়েছে দোকানপাট, বাজারহাট সবকিছুই। মূল ইটানগরের কাছেই রয়েছে এগারো শতকের ইটা দুর্গ-এর ধ্বংসাবশেষ । ইটানগরে এসে অব্যশই দেখতে হবে জওহর মিউজিয়াম - বিভিন্ন প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন ছাড়াও অরুণাচলের নানা উপজাতির সমাজ ও সংস্কৃতি বুঝতে। সোম ছাড়া সপ্তাহের সবদিনই সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত খোলা থাকে মিউজিয়াম। লোকাল সাইট সিয়িং-এ দেখে নেওয়া যায় প্রাচীন বৌদ্ধ মন্দির, পোলো পার্ক, বটানিকাল গার্ডেন ও চিড়িয়াখানা। ৬কিমি দূরে রয়েছে পিকচার পোস্টকার্ডের মতো গঙ্গা সরোবর

যাওয়া- তেজপুর বা ভালুকপং থেকে বাসে বা গাড়িতে ইটানগর যাওয়া যায়। বান্দরদেওয়া চেকপোস্টে পথটি দুই ভাগ হয়েছে। বাঁদিকের পথ ধরে ২০কিমি এগোলে নাহারলাগুন। ইটানগর আরও ১০কিমি দূরে।
থাকা- ইটানগরে বেশ কয়েকটি বেসরকারি হোটেল আছে।

জিরো-হাপোলি(Ziro /Zero - Hapoli)- ইটানগরের মতোই যমজ শহর জিরো আর হাপোলি। পাইনে ছাওয়া সবুজ পাহাড়ে ঘেরা আপাতানি মালভূমির এই অপরূপ রাজ্যে বয়ে চলেছে পাহাড়ি নদী সুবনসিরি, নিশি, আপাতানি, দফলা আর মিরি। লোয়ার সুবনসিরি জেলার সদর শহর জিরো। শহরের সীমানা ছাড়ালে শুরু হয় পাইন গাছের জঙ্গল। পাহাড়ি পথে হাঁটতে হাঁটতে পাবেন আপাতানি উপজাতিদের গ্রাম। হাপোলি থেকে ৫কিমি দূরে তারিন হাই অলটিচিউড ফিশ ফার্ম (Tarin High Altitude Fish Farm)। জিরো থেকে ৩৮কিমি দূরে তালে অভয়ারণ্য (Taley Valley Wildlife Sanctuary)। শেষে ৮কিমি হাঁটতে হবে।

যাওয়া- ইটানগর থেকে বাসে বা গাড়িতে চড়াই-উতরাই ভেঙে কিমিন চেকপোস্ট পেরিয়ে ঘন্টা ছয়েকে পৌঁছনো যাবে ২০০কিমি দূরে জিরোতে।

থাকা- জিরোতে সার্কিট হাউস বা ইনস্পেকশন বাংলোতে থাকতে হলে জিরোর ডেপুটি কমিশনারের অফিস থেকে অনুমতি নিতে হবে। অন্যথায় হোটেলে রাত্রিবাস।

সব- মার্চ-এপ্রিল মাসে আপাতানিদের মিকো (Miko) উৎসব হয়। প্রধান উৎসব দ্রী (Dree) হয় জুলাই মাসে।

দাপোরিজো(Daporizo)- জিরো থেকে ১৮০কিমি দূরে সুবনসিরি নদী উপত্যকায় ছোট্ট শহর দাপোরিজো। এই অঞ্চলের প্রধান দুই উপজাতি তাগিন ও হিলমিরি। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যই এই অঞ্চলের বড় সম্পদ । দাপোরিজো থেকে ১৯কিমি দূরে মেঙ্গাতে রয়েছে লাইমস্টোন কেভ (Limestone Cave)।

যাওয়া- বাসে বা গাড়িতে আদিম বনভূমির ভেতর দিয়ে রোমাঞ্চকর পথে পৌঁছতে হবে জিরো থেকে দাপোরিজো।

থাকা- থাকার জন্য সার্কিট হাউস বা ইনস্পেকশন বাংলোই ভালো।

আলং(Alang)- সিয়াম নদীর তীরে আদি উপজাতির মানুষদের বাসভূমি আলং। আলং শহরের দ্রষ্টব্য গুলি হল-  রামকৃষ্ণ মিশনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মিউজিয়াম, ক্র্যাফট সেন্টার, দোয়নিপোলোর মন্দির। সিয়াম ও সিয়াং নদীর মিলনস্থানটিও অপরূপ।

যাওয়া- দাপোরিজো থেকে পশ্চিম সিয়াং জেলার সদর শহর আলং-এর দূরত্ব ১৭৮কিমি। বাসে বা গাড়িতে যাওয়া যাবে।

থাকা- সার্কিট হাউস বা ইনস্পেকশন বাংলোয় থাকা যায়। কয়েকটি হোটেলও আছে।

সব- আদিবাসিদের প্রধান উৎসব সোলুং (Solung) এবং মোপিন (Mopin)। সোলুং হয় সেপ্টেম্বরের প্রথমে আর মোপিন হয় এপ্রিলের শুরুতে।

পাসিঘাট(Pasighat)- সিয়াং নদীর তীরে কমলালেবুর শহর পাসিঘাট। পাসিঘাটে দর্শনীয় ডাঙারিয়া শিবমন্দির, দোয়ানিপোলোর মন্দির, মিউজিয়াম। পাসিঘাটের কাছেই ডঃ ডেরিং এরিং অভয়ারণ্য

যাওয়া- আলং থেকে পাসিঘাটের দূরত্ব ১০৫কিমি। বাসে বা ভাড়া গাড়িতে যাওয়া যায়। পাসিঘাটের নিকটতম বিমানবন্দর ও রেলস্টেশন ডিব্রুগড় টাউন(DBRT)। পাসিঘাট থেকে বাসে ওইরাম ঘাট পৌঁছে নৌকায় ডিব্রুগড় পৌঁছান যায়।
থাকা- পাসিঘাটেও সার্কিট হাউস ও ইনস্পেকশন বাংলো আছে। থাকার জন্য হোটেলও পাওয়া যায়।

 

নামডাফা টাইগার রিসার্ভ (Namdapha Tiger Researve)- অরুণাচল-মায়ানমার সীমান্তে চ্যাংলাং জেলায় ১৮০৮ বর্গ কিমি ব্যপী নামডাফা টাইগার রিজার্ভ। ১৯৮৩ সালে, এই বনাঞ্চল টাইগার রিজার্ভের তকমা পায়। অরণ্যের এন্ট্রিপয়েন্ট ডিবান। বট, অশ্বত্থ, ধূপ, হরিতকী, আমলকি চেনা-অচেনা নানান গাছে ছাওয়া এই বনভূমিতে লুপ্তপ্রায় তুষারচিতার দেখা মেলে। এছাড়া বাঘ, লেপার্ড, হাতি, বাইসন, বুনোকুকুর, লেপার্ড ক্যাট, লালপান্ডা, নানান প্রজাতির হরিণ, শম্বর,শুয়োর, ক্লাউডেড লেপার্ড, নানান সরীসৃপ, পাখি ও প্রজাপতির বাসভূমি এই অরণ্য। পাখির স্বর্গ নামেরিতে দেখা মিলবে ধনেশ, মোনাল, পিকক ফেজেন্ট, মিনিভেট, টিয়া প্রভৃতি নানা প্রজাতির পাখির। বেড়াবার মরসুম ডিসেম্বর থেকে মার্চ।

যাওয়াঃ- নিকটতম রেলস্টেশন মার্গারিটা ৬৪ কিমি দূরে। ১৪০ কিমি দূরেই ডিব্রুগর বিমানবন্দর । গুয়াহাটি থেকে তিনসুকিয়া হয়েও সড়কপথে আসা যায়।

থাকাঃ-মিয়াওতে সরকারি ট্যুরিস্ট লজ ও ডিবান-এ ফরেস্ট বাংলো আছে।

 

 

Album

  • To view this site correctly, please click here to download the Bangla Font and copy it to your c:\windows\Fonts directory.

    For any queries/complaints, please contact admin@amaderchhuti.com
    Best viewed in FF or IE at a resolution of 1024x768 or higher